Showing posts with label এ্যাথলেটিক্স. Show all posts
Showing posts with label এ্যাথলেটিক্স. Show all posts

অ্যাথলেটিক্সের টাই

অ্যাথলেটিক্সের টাই : টাই (Tie) অর্থ সমতা । যখন দু’জনের ফলাফল সমান হয় তখন তাকে টাই বলে । টাই দুই রকমের-১. উচ্চতার টাই ২. দূরত্বের টাই।
১. উচ্চতার টাই: পোলভল্ট ও হাইজাম্পে টাই হলে তাকে উচ্চতার টাই বলে। কারণ এদের টাই হয় উচ্চতায়।
২. দূরত্বের টাই : দীর্ঘলাফ, হপস্টেপ এন্ড জাম্প, চাকতি নিক্ষেপ, গোলক নিক্ষেপ, বর্শা নিক্ষেপ, হাতুড়ি নিক্ষেপ এসব ইভেন্টের প্রতিযোগীদের মধ্যে টাই হলে তাকে দূরত্বের টাই বলে। শুধু ১ম স্থানের জন্য টাই ভাঙতে হয়। ২য় ও ৩য় স্তানের জন্য টাই হলে যুগ্নভাবে ফলাফল ঘোষণা করতে হয়।
১. উচ্চতায় টাই হলে ভাঙ্গার নিয়ম-
ক) যে উচ্চতায় টাই হয়েছে সে উচ্চতায় যে কম চেষ্টায় অতিক্রম করেছে সে প্রথম হবে।
খ) উপরের নিয়মে টাই না ভাঙলে ১ম থেকে শেষ পর্যন্ত যার ক্রস কম সে ১ম হবে।
গ) এর পরেও যদি টাই না ভাঙ্গে তাহলে উচ্চতা বাড়িয়ে বা কমিয়ে লাফ দেওয়াতে হবে। যে অতিক্রম করবে সে বিজয়ী হবে। এখানে প্রতিযোগীগণ ১টি করে লাফের সুযোগ পাবে।
দূরত্বের টাই হলে ভাঙ্গার নিয়ম :
ক. মোট নিক্ষেপ বা লাফের ভিতর ২য় সর্বোচ্চ দুরত্ব দেখতে হবে।
খ. এ নিয়মে টাই না ভাঙলে ৩য় সর্বোচ্চ দেখতে হবে। (এভাবে ক্রমান্বয়ে যাবে)

চাকতি নিক্ষেপ


চাকতি নিক্ষেপ : চাকতি নিক্ষেপ একটি জনপ্রিয় ফিল্ড ইভেন্ট।  ডিসকাস বা চাকতি হলো গোলাকার একটি চাকতি। পুরুষদের জন্য চাকতির ওজন ২ কেজি এবং মহিলাদের জন্য এর ওজন ১ কেজি। চাকতি নিক্ষেপের সার্কেলের ব্যাস ২.৫ মিটার। বৃত্তের চারিদিকে লোহার রিং মাটিতে বসানো থাকবে। বৃত্তটি কংক্রিটের ও খসখসে হবে।
চাকতি নিক্ষেপের কৌশল
ক. চাকতি ধরা:
১. প্রথমে বিপরীত হাতে চাকতিটি রাখতে হবে।
২.মসৃণ পিঠ উপরে থাকবে।
৩. যে হাতে নিক্ষেপ করা হবে সে হাতের মধ্যের তিন আঙ্গুলের প্রথম ভাঁজে ডিসকাসকে আঁকড়িয়ে ধরতে হবে।
৪. বৃদ্ধ ও কনিষ্ঠ আঙ্গুলের সাহায্যে সার্পোট নিতে হবে।
৫. আঙ্গুলগুলো ফাঁকা করে রাখতে হবে।
চাকতি নিক্ষেপের ধাপসমূহ :
চাকতি নিক্ষেপের ধাপ তিনটি । ১. সুইং, ২. টার্ন, ৩. নিক্ষেপ।
১. সুইং : বৃত্তের ভিতর দাঁড়িয়ে চাকতিটি শক্তভাবে ধরে নিক্ষেপকারীর সুবিধা মতো সুইং দিবে।
২. টার্ন : ছোড়ার পূর্ব মুহুর্তে খুব জোরে ১১/২ পাক ঘুরে চাকতিটি ছুড়বে।
৩. নিক্ষেপ : ঘোরার সাথে সাথে পায়ের উপর ভর করে নিক্ষেপ করতে হয়। নিক্ষেপের পর এক পায়ের উপর শরীরের ভারসাম্য রাখতে হয়।
নিয়মাবলি


       ১। নাম ডাকার ৬০ সেকেন্ডের নিক্ষেপ করতে হবে।
       ২। বৃত্তের মধ্যে থেকে চাকতি নিক্ষেপ করতে হবে।
       ৩। নিক্ষেপের পর পিছনের অংশ দিয়ে বের হতে হবে।
       ৪। চাকতিটি সেক্টরের মধ্যে পড়তে হবে।
       ৫। চাকতিটি শূন্যে থাকা অবস্থায় বৃত্ত থেকে বের হওয়া যাবে না।
       ৬। সার্কেলের চতুর্দিকের লোহার রিং এর উপরে স্পর্শ করা যাবে না।
       ৭। নিক্ষেপের সময় বৃত্তের বাইরের ভূমি স্পর্শ করা যাবে না।

বর্শা নিক্ষেপ



বর্শা নিক্ষেপ : বর্শা নিক্ষেপের ইংরেজী হলো জ্যাভেলিন থ্রো। বর্শার দৈঘ্য পুরুষ ২.৬০-২.৭০ মিটার, মহিলাদের ২.২০-২.৩০ মিটার। বর্শার ওজন পুরুষদের ৮০০ গ্রাম, মহিলদের ৬০০ গ্রাম। রানওয়ে কমপক্ষে ৩৩.৫ মি: লম্বা ও ৪মি: চওড়া হবে। একটি বৃত্তচাপ অংকন করতে হবে। আর্কটি একটি কাঠ ধাতুর তৈরি বস্তু দ্বারা মাটির সমান্তরালে স্থপন করতে হবে। দুপাশে ১.৫০ মি: বাড়ানো থাকবে।
বর্শা নিক্ষেপের কৌশল : প্রথমে জ্যাভেলিন ধরা শিখতে হবে। কারণ ধরা ভালো হলে ছোড়াও ভালো হবে। ধরা তিন প্রকার-
ক. সামনের আঙ্গুল দিয়ে ধরা (Fore finger grip) :জ্যাভেলিনটি সামনের আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরতে হয়।
খ. মধ্যম আঙ্গুল দিয়ে ধরা (Middle finger grip): মাঝের আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরা।
গ. মধ্যম ও সামনের আঙ্গুলের মাঝখানে  দিয়ে ধরা (In between fore and middle finger) : সামনের আঙ্গুল ও মাঝের আঙ্গুলের মাঝখানে দিয়ে ধরা।
বহন করা : রানওয়ে দিয়ে দৌড়ে আসার সময় তিনভাবে জ্যাভেলিন বহন করা যায় ১. কাঁধের নিচ দিয়ে, ২. কাঁধের উপর দিয়ে, ৩. মাথা বরাবর । যার যেভাবে সুবিধা মনে হবে সে সেভাবে জ্যাভেলিন বহন করতে পারে। তবে উঁচু করে বহন করলে সুবিধা হয়।
জ্যাভেলিন ছোড়া : জ্যাভেলিন ছোড়ার সময় ৪টি ধাপ অতিক্রম করতে হয়।
১. দৌড়ে আসা, ২. পাঁচ স্টেপের রিদম, ৩. নিক্ষেপ ৪. পূর্বের অবস্থায় ফেরা।
১. দৌড়ে আসা : বর্শা ধরে ছোড়ার জন্য রানওয়ে দিয়ে দৌড়ে আসা।
২. পাঁচ স্টেপের রিদম : ছোড়ার আগে রিদমের সাথে পাঁচটি পদক্ষেপ নিয়ে বর্শাটি নিক্ষেপ করতে হয়।
৩. নিক্ষেপ : ৫টি পদক্ষেপ নিয়ে বর্শা ছুড়ে ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়।
৪. পূর্বের অবস্থায় ফেরা (Recovery) : ভারসাম্য রক্ষার পর পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে হয়।
বর্শা নিক্ষেপের নিয়মাবলি

১.বর্শাটি সেক্টরের মধ্যে পড়তে হবে এবং মাথা প্রথমে মাটি স্পর্শ করবে।
২. জ্যাভেলিন মার্কার স্পর্শ করে বা সামনের দাগ স্পর্শ করে নিক্ষেপ করা যাবে না ।
৩. নিক্ষেপের পর পাশের বাড়ানো রেখা অতিক্রম করা যাবে না।
৪. নাম ডাকার ৯০ সেকেন্ডের ভেতর নিক্ষেপ করতে হবে।
৫. টেপ দ্বারা দুই আঙ্গুলে পেঁচানো যাবে না।
৬. হাতে দস্তানা বা গ্লাভস ব্যবহার করা যাবে না ।
৭. শক্ত করে ধরার জন্য হাতে পাউডার জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা যাবে।

গোলক নিক্ষেপ



গোলক নিক্ষেপঃ গোলকটি লোহা, পিতল বা ঐ জাতীয় কোন বস্তু দ্বারা তৈরি হবে। আকৃতি গোলাকার এবং মসৃণ হবে। গোলাকের ওজন পুরুষদের জন ৭.২৬০ কেজি। মহিলাদের জন ৪ কেজি। শট পুট সার্কেলের ব্যাস হবে ২.১৩৫ মি: সেক্টরের কোর্প হবে ৩৪.৯২ ডিগ্রী। একটি বাঁকানো কাঠের তৈরি স্টপ বোর্ড বৃত্তের সামনের দাগের উপর বসাতে হবে। স্টপ বোর্ডটি সাদা রঙের হবে এবং মাটিতে দৃঢ়ভবে লাগানো থাকবে। পায়ের ধাক্কা লেগে যেন সরে না যায়।

গোলক নিক্ষেপের কৌশল : 

গোলকটি হাতের তালুতে না ধরে আঙ্গুলের গোড়াসহ সম্পূর্ণ আঙ্গুলের মধ্যে থাকবে। বুড়ো আঙ্গুল ও কনিষ্ঠ আঙ্গুল গোলকের দুদিকে একটু ছড়িয়ে থাকবে যাতে পড়ে না যায়। এরপর গোলকটি গলা ও কাঁধের মাঝখানে রাখতে হবে  এবং হাতের কনুই কিছুটা উঁচুতে থাকবে। যে দিকে গোলকটি ছোড়া হবে তার বিপরীত দিকে মুখ করে দাঁড়াতে হবে। ডান পা সামনে ও বাম পায়ের পাতাকে পিছনে নিয়ে ডান পায়ের গোড়ালির কাছে রাখতে হবে। এরপর পাসহ শরীরকে পিছনে টেনে এনে শরীর পাশে ঘুরে আসবে।

নিয়মাবলি


১. গোলকটি সেক্টরের মধ্যে নিক্ষেপ করতে হবে।
২. আটজন প্রতিযোগী হলে সবাই ৬টি করে নিক্ষেপ করার সুযোগ পাবে।
৩. আটের অধিক হলে প্রথমে ৩টি করে নিক্ষেপ করে বাছাই করতে হবে। বাছাইকৃত প্রতিযোগীগণ আরও তিনটি করে নিক্ষেপ করার সুযোগ পাবে।
৪. নিক্ষেপ শেষে বৃত্তের উপরে স্পর্শ করা যাবে না।
৫. গোলকটি মাটিতে না পড়া পর্যন্ত বৃত্ত থেকে বের হওয়া যাবে না।
৬. নাম ডাকার ৯০ সেকেন্ডের ভিতর নিক্ষেপ করতে হবে।

পোলভল্ট বা দন্ড লাফ



পোলভল্ট বা দন্ড লাফ : পোল -এর উপর ভর দিয়ে যে লাফ দেওয়া হয় তাকে পোলভল্ট বা দন্ডলাফ বলে।
প্রতিযোগিতার নিয়ম
১. প্রতিযোগিতা শুরু করার আগে উচ্চতা সম্পর্কে প্রতিযোগীদের অবহিত করবেন এবং প্রতি রাউন্ড শেষে কতটুকু উচ্চতা বাড়ানো হবে তাও বলে দেবেন।
২. প্রতি রাউন্ড শেষে ক্রসবার কমপক্ষে ৫ সে: মিটার উঠবে।
৩. লাফ দেওয়ার সুবিধার জন্য প্রতিযোগীগণ বক্সের ভেতরের ধার থেকে রানওয়ের দিকে ০.৪ মিটার ও পিটের দিকে ০.৮ মিটার পর্যন্ত পোস্টদয় সরাতে পারবেন।
৪. প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেলে অনুশীলনের জন্য লাফের স্থান ব্যবহার করা হয় না।
৫. প্রতিযোগীর লাফ কখন ব্যর্থ হবে-
ক. দু’পা শূন্যে উঠে গেলে।
খ. যদি লাফের পর ক্রসবার পড়ে যায়।
গ. যদি ক্রসবারের সামনের ভূমি স্পর্শ করে।
ঘ. যদি লাফ না দিয়ে দন্ড দিয়ে ক্রসবার ফেলে দেয়।
ঙ. যদি লাফের সময় দন্ড ধরা অবস্থায় নিচের হাত উপরের হাতের উপরে নেয় বা দুই হাত পরিবর্তন করে বেয়ে বেয়ে উপরে ওঠার চেষ্টা করে।
৬. একজন প্রতিযোগী এক উচ্চতায় তিনটি করে লাফ দেওয়ার সুযোগ পাবে।
৭. পোল ভালো করে ধরার জন্য হাতে যে কোন ধরনের পদার্থ লাগাতে পারবে।
৮. লাফ দেওয়ার সময় দন্ডটি ভেঙ্গে গেলে পুনরায় লাফ দেওয়ার সুযোগ পাবে।
৯. টাই হলে উচ্চতার টাই ভাঙ্গার নিয়ম অনুসারে টাই ভাঙতে হবে।
১০. রানওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ৪০ মি: প্রস্থ হবে ১.২২ মিটার।
১১. ল্যান্ডিং-এর মাপ হবে দৈর্ঘ্য ৫মি:, প্রস্থ ৫মিটার
১২. প্রত্যেক প্রতিযোগী নিজ নিজ দন্ড ব্যবহার করবে।

কৌশল
পোল তিনভাবে ধরা যায়-
·        ১. উঁচু করে বহন করা,
·        ২. মধ্যমভাবে বহন করা,
·        ৩. নিচুভাবে বহন করা।
কোন প্রতিযোগী কীভাবে দন্ড ধরবে তা তাদের উচ্চতা ও অনুশীলনর উপর নির্ভর করে। যে ভাবেই ধরুক বক্সে দন্ডের গোড়া ঢুকিয়ে লাফ দিতে হবে।
লাফ দেওয়ার ৬টি ধাপঃ
১. রানওয়ে দিয়ে দৌড়ে আসা
২. পোল ঠিকমতো বক্সে প্লেস করা
৩. ঠিকমতো টেক অফ নেওয়া
৪. পোলে ভর দিয়ে উপরে ওঠা
৫. বারের উপর শরীর দোল খাওয়ানো
৬. পোল ছাড়া ও শরীর ঘুরিয়ে ল্যান্ডিং করা

ট্রিপল জাম্প বা হপস্টেপ জাম্প




১.ট্রিপল জাম্প : হপস্টেপ এন্ড জাম্প বা লাফ ঝাঁপ ধাপ অর্থাৎ এই তিনের সমন্বয়ে যে লাফ দেওয়া হয় তাকে ট্রিপল জাম্প বলে। যে পায়ে টেক অফ  সে পায়ে প্রথমে হপ, বিপরীত পায়ে স্টেপ ও তার লাফ দিতে হয়। এই ইভেন্ট তিনটি লাফই সমান গুরুত্ব বহন করে। এই তিনটি জাম্পের মধ্যে অনুপাত হিসেব করে লাফ দিলে অনেক বেশি দূরত্ব অতিক্রম করা যায়। সাধারণত ৬:৫:৬ অনুপাত নতুন অ্যাথলেটদের জন্য সুবিধাজনক। প্রথম হপ ৬ইঞ্চি হলে স্টেপ নিতে হবে ৫ইঞ্চি এবং শেষে লাফ দিতে হবে ৬ইঞ্চি। প্রথমে বাম পায়ে টেক অফ নিলে সেই পায়ে হপ দিয়ে ডান পায়ে স্টেপ নিয়ে তারপর জাম্প দিতে হবে।
অ্যাপ্রোচ রান : দীর্ঘলাফের মতো দৌড়িয়ে আসতে হয়। দৌড়ের গতি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যেন মাটি ছাড়ার সময় দৌড়ের গতি বেশি থাকে।
টেক অফ : দীর্ঘলাফ ও ট্রিপল জাম্প এর টেক এক নয়। ট্রিপল জাম্পের মাটি ছাড়ার সময় চেষ্টা থাকে যে, কীভাবে সামনের দিকের গতি বজায় রাখা যায়। প্রথম হপ খুব উঁচু করে নেওয়া ঠিক নয়। স্বাভাবিক হপ নিয়ে ক্রমন্বায়ে উঁচুতে উঠলে লাফটি ভালো হয়। হপ যে উচ্চতা নিতে হবে স্টেপ তা থেকে বেশি উচ্চতায় নিতে হবে তা থেকেও বেশি উচ্চতায় লাফ দিতে হবে।
মাটির উপরে শূন্যে ভাসা : দীর্ঘলাফের সময় শূন্যে যেভাবে পায়ের নড়াচড়া করতে হয় এখানেও সেভাবে পায়ের নড়াচড়া করতে হবে তাহলে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে ।
ল্যান্ডিং : দীর্ঘলাফের ল্যান্ডিং এর কৌশল ও ট্রিপল জাম্পের ল্যান্ডিং-এর কৌশল একই।
নিয়মাবলী
১. যদি  ৮ এর অধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে সেক্ষেত্রে ৩টি লাফের পর ৮ জনকে বাছাই করে ঐ আটজন আরও তিনটি করে লাফ দিবে। এই ছয় লাফের ভেতর যার দূরত্ব বেশি হবে সে বিজয়ী হবে।
২. লাফ দেওয়ার সময় টেকঅফ বোর্ডের সামনের যে বালির দেয়াল আছে তা ভেঙ্গে ফেললে ঐ লাফটি বাতিল হবে।
৩. অ্যাপ্রোচ রানের সময় দৌড় পথে কোন চিহ্ন দেওয়া যাবে না।
৪. হাতে, পায়ে, কোন ওজন বা গ্রিপ নিয়ে লাফ দেওয়া যাবে না।
৫. লাফ দেওয়ার সময় অপর পা মাটিতে স্পর্শ করলে ঐ লাফটি বাতিল হবে।